• সারাদেশ

    রংপুর বিভাগের ০৮টি জেলার মধ্যে নীলফামারী জেলা যে কারণে বিখ্যাত

      প্রতিনিধি ১৪ অক্টোবর ২০২২ , ৯:১৪:১৫ প্রিন্ট সংস্করণ

     

     

    সঞ্জয় দাস,নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:

     

    (০১)- তৃতীয় ইন্টারন‍্যাশনাল সৈয়দপুর এয়ারপোর্ট নীলফামারীতে অবস্থিত।

    (০২)- বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম ইপিজেট কাজীর হাট নীলফামারীতে অবস্থিত।

    (০৩)- এশিয়া উপমহাদেশর শ্রেষ্ঠ রেলওয়ে কারখানা সৈয়দপুর নীলফামারীতে অবস্থিত।

    (০৪)- সৈয়দপুর ক‍্যান্টনমেন্ট নীলফামারী জেলায় অবস্থিত।

    (০৫)- বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রয়াত্ব ১৬টি টেক্সটাইল মিলের মধ‍্যে দারোয়ানী টেক্সটাইল মিল এটি অন‍্যতম সেরা, নীলফামারীতে অবস্থিত।

    (০৬)- এশিয়া উপমহাদেশর মধ‍্যে শ্রেষ্ট লেপ্রসি মিশন (কুষ্ট হাসপাতাল) নীলফামারীতে অবস্থিত।

    (০৭)- বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের শ্রেষ্ট তিস্তা ব‍্যারেজ প্রকল্প। নীলফামারীতে অবস্থিত।

    (০৮)- অনেকে হয়তো নীলসাগরের নাম শুনেছেন। এটা মূলত অনেক রড় একটা দীঘি,আগে বিন্না দীঘি নামে পরিচিতি ছিল। পরে বাংলাদেশ সরকার নাম পরিবর্তন করে নীলসাগর নামকরন করে। দর্শনার্থীদর জন‍্য পর্যটন স্হান হিসাবে উম্মক্ত করেন। এবং বাংলাদেশ সরকার সর্ব প্রথম (নীলসাগর) নামের একটি অত‍্যাধুনিক মানের ট্রেন নীলফামারী রুটে চালু করেন। তা ছাড়া নীলসাগর গ্রুপ নামের একটি বৃহত কোম্পানি ও লেলিন গ্রুপ নামে আরও একটি বৃহত কোম্পানি আছে। যেখানে হাজার হাজার মানুষ কর্ম সংস্হান করে খাচ্ছেন।

    (০৯)- রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার মধ‍্যে শ‍্রেষ্ট কারাগার (জেলখানা) সেটাও নীলফামারী জেলাতে অবস্থিত।

    (১০)- রংপুর বিভাগের রংপুর জেলার চেয়েও নীলফামারী জেলার শিক্ষার হার অনেক বেশি। বিশ্বাস না হলে নেটে সার্চ দিয়ে দেখেন।

    (১১)- নীলফামারীতে আধুনিক মেডিকেল হাসপাতাল তো আছেই। এর পাশাপাশি অত‍্যাধুনিক মানের

    ম‍েডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মান কাজ চলমান প্রক্রিয়াধীন।

    (১২)- বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সাংস্কৃতি মন্ত্রী,টানা ০৩ বারের সংসদ সদস‍্য,ন‍্যাট‍্য ব‍্যাক্তীত্ব,জনাব আসাদুজ্জামান (নুর) যাকে বাকের ভাই হিসেবে সবাই চিনে। এছাড়া মশিঊর রহমান (যাদু)মিয়া,অতিন্দ্র মোহন,বেবী নজনীন, নাম নাজানা অনেক দেশবরেণ‍্য ব‍্যাক্তি।

    আরও খবর

    লেখক সম্মাননা পেলেন জবিসাকের রিমা-সেকেন্দার

    কালীগঞ্জে নির্বাচনী আচরণ বিধি ভঙ্গের দায়ে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা

    নারায়ণগঞ্জের আড়াই হাজারে ২ পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে জখম সহ ২০ জন আহত

    ইউনাইটেড জার্নালিস্ট সোসাইটি অব বাংলাদেশের পাবনা জেলা কমিটি অনুমোদন

    ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত ছেলেকে বাঁচাতে মা-বাবার আকুতিপ্রেস রিলিজঃ সাথিয়ার আলোচিত রাজা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন। গত ইং ১৭/০৭/২০২২ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৭ ঘটিকার সময় ভিকটিম রাজা প্রাং (৫০), পিতা-মৃত সিরাজ প্রাং,সাং-শ্রীধরকুড়া, থানা-সাঁথিয়া, জেলা-পাবনা তার পূর্ব পরিচিত মোঃ অনিক হোসেন (১৮) ও হৃদয় হোসেনর (১৯) সাথে প্রতিবেশি জয়নালের (২৫) সিএনজি করে পিকনিক খাওয়ার কথা বলে বরাট, কাশিনাথপুরের দিকে যায়। যথাসময়ে ভিকটিম রাজা প্রাং বাড়ীতে না ফেরায় রাজার স্ত্রী মোছাঃ রাশিদা রাজার মোবাইল নাম্বারে ফোন দিলে সিএনজি চালক জয়নাল ফোনটি রিসিভ করে বলে যে, তার কাছে ভিকটিম রাজা মোবাইল ফোনটি রেখে কোথায় যেন চলে গেছে। ঐ দিন রাত্রিতে ভিকটিম রাজা প্রাং বাড়ীতে ফেরত না আসলে পরিবারের লোকজন রাজা প্রাং-কে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করিতে থাকে। খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে গত ইং ২০/০৭/২০২২ তারিখ সকাল অনুমান সকাল ০৯.০০ ঘটিকার সময় সাঁথিয়া থানাধীন সোনাকুড়া বরাট গ্রামের সরকারী ক্যানেলের কচুরি পানার মধ্যে ভিকটিম রাজার অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। বিষয়টি হত্যাকান্ড হিসেবে প্রাথমিক ভাবে ধারণা হওয়ায় ভিকটিম রাজার স্ত্রী মোছাঃ রাশিদা বাদী হয়ে সাঁথিয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন যার মামলা নং-২২, তাং-২১/০৭/২০২২ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তৎকালীন পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম স্যারের নির্দেশনায় ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ১। সিএনজি চালক জয়নাল (২৫) ২। মোঃ হৃদয় হোসেন (২০) এবং ৩। পিয়াস সরকার (২৩) দের গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আসামী গণ এই হত্যাকান্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করলে তাদের অত্র মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। পরবর্তীতে পাবনা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আকবর আলী মুনসী স্যারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে জনাব মোঃ মাসুদ আলম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ), জনাব কল্লোল কুমার দত্ত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, (বেড়া সার্কেল), জনাব আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই ইমতিয়াজ এর নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম ঢাকা,গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ এর শাহজাদপুর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে ১। মোঃ মামুন খান (২৩), পিতা-মোঃ দুলাল খান এবং ২। মোঃ আশিক ফকির (২৫), পিতা-মোঃ আনিছ ফকির , উভয় সাং-সোনাকুড়া বরাট,থানা-সাঁথিয়া, জেলা-পাবনাদ্বয়কে গ্রেফতার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ মামুন খান (২৩) বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। আসামী মোঃ মামুন খান (২৩) এর প্রদত্ত জবানবন্দিতে জানা যায় যে, ভিকটিম রাজা প্রাং মাদকের সাথে সম্পৃক্ত ছিল। মাদক খাওয়ার টাকা পয়সাকে কেন্দ্র করে আসামী হৃদয় এবং অনিকের সাথে ঝামেলা ছিল। অপর আসামী মামুন এবং জুয়েলের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে সাথিয়া থানায় মাদকদ্রব্য আইনে একটা মামলা হয়। এই মামলার সোর্স হিসেবে ভিকটিম রাজা ছিল বলে আসামীদের ধারণা। আর এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী রনির সাথে খাসের পুকুর ও জমির দখল নিয়ে বিরোধ ছিল। উক্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে কৌশলে ভিকটিম রাজা প্রাং-কে মোঃ জয়নাল এর সিএনজি যোগে মোঃ হৃদয় ও মোঃ অনিক কে দিয়ে ডেকে নিয়ে আসার পর মাদকদ্রব্য গঁাজা খাওয়ার কথা বলে সোনাকুড়া বরাট গ্রামের সরকারী ক্যানেলের ধারে পাটক্ষেতে নিয়ে যায় এবং রাত্রি অনুমান ১০.০০ ঘটিকা হতে ১১.০০ ঘটিকার মধ্যে আসামী মোঃ রনির নেতৃত্বে মোঃ হৃদয়, মোঃ জয়নাল, মোঃ অনিক, মোঃ জুয়েল, মোঃ মামুন, মোঃ আশিক, এনামুল হক ও মোঃ সোহেলগন মিলে ভিকটিম রাজাকে গলাটিপে হত্যা করে মৃতদেহ পার্শ্ববর্তী ক্যানেল-এ কচুরিপানার মধ্যে লুকিয়ে রাখে। আসামী মোঃ জয়নাল এর নিকট হতে ভিকটিম রাজা প্রাং এর ব্যাবহৃত মোবাইল ফোন ও সিএনজি গাড়ী উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা আছে

    নওগাঁয় উপকারভোগীদের সাথে এমপি হেলানের মতবিনিময়

                       

    জনপ্রিয় সংবাদ