• সারাদেশ

    কক্সবাজার রামুতে পাহাড় ধ্বসে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু

      প্রতিনিধি ৮ ডিসেম্বর ২০২২ , ৭:২৫:২৩ প্রিন্ট সংস্করণ

     

    কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ

     

    কক্সবাজারের রামুতে পাহাড় ধ্বসে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    গতকাল বুধবার (৭ ডিসেম্বর) রাত ৮ টার দিকে রামু উপজেলার কাউয়ার খোপ ইউনিয়নের পাহাড়তলী ঝর্ণাঘোনা এলাকায় এ পাহাড় ধ্বসের ঘটনা ঘটে।

     

    এ দুর্ঘটনার মৃত ব্যক্তিরা হলেন মৃত নাজির হোসেনের ছেলে আজিজুর রহমান (৫২), আজিজুর রহমানের স্ত্রী রহিমা খাতুন (৪৫), শাশুড়ি দিলফুরুজ বেগম (৬৮) এবং পুত্রবধূ নাসিমা আক্তার (২২)।

     

    এদিকে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় জনসাধারণ, ফায়ার সার্ভিসের দমকল কর্মী এবং পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন।

     

    এদিকে ঘটনাস্থলে ছুটে যান রামু উপজেলা নির্বাহি অফিসার ফাহমিদা মুস্তফা। তিনি জানান রাতে পরিবারের ছোট বাচ্চাদের অন্য কক্ষে রেখে রান্নাঘরে খাবার খেতে বসেছিলেন- পরিবারের চার সদস্য। এসময় পেছনে থাকা বিশাল পাহাড় ধসে রান্না ঘরের উপর পড়ে। এতে রান্না ঘরে থাকা আজিজুর রহমান, রহিমা খাতুন, দিলফুরুজ বেগম ও নাসিমা আকতার মাটিতে চাপা পড়েন। তাৎক্ষনিক তাদের উদ্ধার করা হয়েছে এবং বিষয়টি জেলা প্রশাসনকেও অবহিত করা হয়েছে।

     

    কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামসুল আলম জানিয়েছেন- নিহত ৪ জনই একই পরিবারের সদস্য। এরমধ্যে নিহত আজিজুর রহমান এবং তার স্ত্রী, শাশুড়ি ও পুত্রবধু রয়েছেন।

     

    রামু ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স এর দলনেতা মো. হাসান চৌধুরী জানিয়েছেন- পাহাড় ধ্বসে পড়া অবস্থায় ৪ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

     

    রামু থানার ওসি আনোয়ারুল হোসাইন জানান- নিহতদের সুরতহাল প্রতিবেদন করা হচ্ছে। এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    আরও খবর

    ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত ছেলেকে বাঁচাতে মা-বাবার আকুতিপ্রেস রিলিজঃ সাথিয়ার আলোচিত রাজা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন। গত ইং ১৭/০৭/২০২২ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৭ ঘটিকার সময় ভিকটিম রাজা প্রাং (৫০), পিতা-মৃত সিরাজ প্রাং,সাং-শ্রীধরকুড়া, থানা-সাঁথিয়া, জেলা-পাবনা তার পূর্ব পরিচিত মোঃ অনিক হোসেন (১৮) ও হৃদয় হোসেনর (১৯) সাথে প্রতিবেশি জয়নালের (২৫) সিএনজি করে পিকনিক খাওয়ার কথা বলে বরাট, কাশিনাথপুরের দিকে যায়। যথাসময়ে ভিকটিম রাজা প্রাং বাড়ীতে না ফেরায় রাজার স্ত্রী মোছাঃ রাশিদা রাজার মোবাইল নাম্বারে ফোন দিলে সিএনজি চালক জয়নাল ফোনটি রিসিভ করে বলে যে, তার কাছে ভিকটিম রাজা মোবাইল ফোনটি রেখে কোথায় যেন চলে গেছে। ঐ দিন রাত্রিতে ভিকটিম রাজা প্রাং বাড়ীতে ফেরত না আসলে পরিবারের লোকজন রাজা প্রাং-কে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করিতে থাকে। খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে গত ইং ২০/০৭/২০২২ তারিখ সকাল অনুমান সকাল ০৯.০০ ঘটিকার সময় সাঁথিয়া থানাধীন সোনাকুড়া বরাট গ্রামের সরকারী ক্যানেলের কচুরি পানার মধ্যে ভিকটিম রাজার অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। বিষয়টি হত্যাকান্ড হিসেবে প্রাথমিক ভাবে ধারণা হওয়ায় ভিকটিম রাজার স্ত্রী মোছাঃ রাশিদা বাদী হয়ে সাঁথিয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন যার মামলা নং-২২, তাং-২১/০৭/২০২২ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তৎকালীন পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম স্যারের নির্দেশনায় ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ১। সিএনজি চালক জয়নাল (২৫) ২। মোঃ হৃদয় হোসেন (২০) এবং ৩। পিয়াস সরকার (২৩) দের গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আসামী গণ এই হত্যাকান্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করলে তাদের অত্র মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। পরবর্তীতে পাবনা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আকবর আলী মুনসী স্যারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে জনাব মোঃ মাসুদ আলম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ), জনাব কল্লোল কুমার দত্ত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, (বেড়া সার্কেল), জনাব আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই ইমতিয়াজ এর নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম ঢাকা,গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ এর শাহজাদপুর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে ১। মোঃ মামুন খান (২৩), পিতা-মোঃ দুলাল খান এবং ২। মোঃ আশিক ফকির (২৫), পিতা-মোঃ আনিছ ফকির , উভয় সাং-সোনাকুড়া বরাট,থানা-সাঁথিয়া, জেলা-পাবনাদ্বয়কে গ্রেফতার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ মামুন খান (২৩) বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। আসামী মোঃ মামুন খান (২৩) এর প্রদত্ত জবানবন্দিতে জানা যায় যে, ভিকটিম রাজা প্রাং মাদকের সাথে সম্পৃক্ত ছিল। মাদক খাওয়ার টাকা পয়সাকে কেন্দ্র করে আসামী হৃদয় এবং অনিকের সাথে ঝামেলা ছিল। অপর আসামী মামুন এবং জুয়েলের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে সাথিয়া থানায় মাদকদ্রব্য আইনে একটা মামলা হয়। এই মামলার সোর্স হিসেবে ভিকটিম রাজা ছিল বলে আসামীদের ধারণা। আর এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী রনির সাথে খাসের পুকুর ও জমির দখল নিয়ে বিরোধ ছিল। উক্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে কৌশলে ভিকটিম রাজা প্রাং-কে মোঃ জয়নাল এর সিএনজি যোগে মোঃ হৃদয় ও মোঃ অনিক কে দিয়ে ডেকে নিয়ে আসার পর মাদকদ্রব্য গঁাজা খাওয়ার কথা বলে সোনাকুড়া বরাট গ্রামের সরকারী ক্যানেলের ধারে পাটক্ষেতে নিয়ে যায় এবং রাত্রি অনুমান ১০.০০ ঘটিকা হতে ১১.০০ ঘটিকার মধ্যে আসামী মোঃ রনির নেতৃত্বে মোঃ হৃদয়, মোঃ জয়নাল, মোঃ অনিক, মোঃ জুয়েল, মোঃ মামুন, মোঃ আশিক, এনামুল হক ও মোঃ সোহেলগন মিলে ভিকটিম রাজাকে গলাটিপে হত্যা করে মৃতদেহ পার্শ্ববর্তী ক্যানেল-এ কচুরিপানার মধ্যে লুকিয়ে রাখে। আসামী মোঃ জয়নাল এর নিকট হতে ভিকটিম রাজা প্রাং এর ব্যাবহৃত মোবাইল ফোন ও সিএনজি গাড়ী উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা আছে

    চাটমোহরে ফাঁদ পেতে অবাধে বক শিকার

    সিরাজগঞ্জে র‍্যাব অভিযানে ইয়াবাসহ আটক ২

    রূপগঞ্জে পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রাখতে বাজার মনিটরিং করলেন ইউপি চেয়ারম্যান 

    জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদ প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন এর পক্ষে তালা মার্কার সমর্থনে প্রচারণা

    কলেজিয়েট স্কুলের ঈর্শণীয় সাফল্য বৃহত্তর কাশিনাথপুরে সর্বাধিক সরকারি বৃত্তিপ্রাপ্ত  

    কলেজিয়েট স্কুলের ঈর্শণীয় সাফল্য বৃহত্তর কাশিনাথপুরে সর্বাধিক সরকারি বৃত্তিপ্রাপ্ত  

                       

    জনপ্রিয় সংবাদ