• সারাদেশ

    জবির বিজ্ঞান বিভাগের ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের মানবিকের বিষয়ে অনীহা 

      প্রতিনিধি ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ , ২:৪১:৫৩ প্রিন্ট সংস্করণ

     

    রবিউল ইসলাম, জবি প্রতিনিধি:

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত বিভাগসমূহে আসন খালি থাকলেও শিক্ষার্থী পায় না বিভাগগুলো। যার ফলে আসন খালি রেখেই ক্লাস শুরু করতে হয় এসব বিভাগে। কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের জন্য নির্ধারিত বিভাগের শিক্ষার্থীরা ভর্তি হলেও বিজ্ঞান ইউনিট থেকে বিভাগ পরিবর্তন কোটার জন্য বরাদ্দ রাখা শিক্ষার্থীরা ভর্তি হতে আগ্রহী না থাকার কারনেই এসব আসন খালি থাকে বলে মনে করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের মতে বিজ্ঞান ইউনিটের জন্য বরাদ্দকৃত এসব আসন কমিয়ে কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের শিক্ষার্থীদের জন্য বাড়ানো হলে ভর্তির সুযোগ পেতো শিক্ষার্থীরা।

     

    সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানায়, প্রতিবারের মতো এবারও ২০২১-২২ সেশনে ১৯০টি আসন খালি রেখে ক্লাস শুরু করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। বারবার বিজ্ঞপ্তি দিয়েও শিক্ষার্থী পেতে কষ্ট হচ্ছে কলা ও সামাজিক অনুষদভুক্ত সব বিভাগের। গুচ্ছে অন্তর্ভুক্ত হওয়া, বিজ্ঞান ইউনিটের শিক্ষার্থীদের জন্য কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত আসন বরাদ্দকেই দুষছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

     

    রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, আইন অনুষদ ও বিভিন্ন ইন্সটিটিউট মিলিয়ে ১৭টি বিভাগে মোট ১২৭০ টি আসন রয়েছে। এরমধ্যে বিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষা দেয়া শিক্ষার্থীদের জন্য ২৭০টি আসন বরাদ্দ রয়েছে। আসনের এ সংখ্যা কমানো হলেই সমস্যা সমাধান হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

     

    কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্দিন বলেন, বর্তমানে বিজ্ঞান ইউনিটের শিক্ষার্থীদের জন্য কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে আসন বরাদ্দ বেশি আছে। এর ফলে দীর্ঘায়িত হচ্ছে ভর্তি প্রক্রিয়া। এবার বিভাগ সমূহের চেয়ারম্যানদের সাথে আলোচনা করে আসন কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে।

     

    বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড.মোঃ শাহজাহান বলেন, শিক্ষা প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিভাগ পরিবর্তন করে মানবিকের বিষয় পড়াও প্রয়োজন আছে। তবে ২৭০ আসন বেশি কিনা তা একক ভাবে সিদ্ধান্তের বিষয় না। সম্মিলিত আলোচনার মাধ্যমে প্রশাসন সিদ্ধান্ত যা নিবে তাই করা হবে।

     

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আবুল কালাম মোঃ লুৎফর রহমান বলেন, একটা আসন খালি থাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং দেশের জন্য ক্ষতি। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি হতে না চাইলে মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী দিয়ে আসন পূরণ করা যেতে পারে। তবে কোনো ভাবেই আসন খালি রাখা কাম্য নয়।

     

    তথ্য সূত্রে জানা যায়, একাধিক বিভাগ আসন কমিয়ে আনার বিষয়ে চিন্তা করছেন। বিভাগীয় চেয়ারম্যানদের সম্মিলিত আলোচনায় পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    আরও খবর

    রামগড়ে গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার

    ভোলায় ভেদুরিয়া ইউনিয়নে জেলেদের মাঝে ভিজিএফ’র চাল বিতরণ

    কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নির্বাচনকে ঘিরে হট্টগোল

    ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত ছেলেকে বাঁচাতে মা-বাবার আকুতিপ্রেস রিলিজঃ সাথিয়ার আলোচিত রাজা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন। গত ইং ১৭/০৭/২০২২ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৭ ঘটিকার সময় ভিকটিম রাজা প্রাং (৫০), পিতা-মৃত সিরাজ প্রাং,সাং-শ্রীধরকুড়া, থানা-সাঁথিয়া, জেলা-পাবনা তার পূর্ব পরিচিত মোঃ অনিক হোসেন (১৮) ও হৃদয় হোসেনর (১৯) সাথে প্রতিবেশি জয়নালের (২৫) সিএনজি করে পিকনিক খাওয়ার কথা বলে বরাট, কাশিনাথপুরের দিকে যায়। যথাসময়ে ভিকটিম রাজা প্রাং বাড়ীতে না ফেরায় রাজার স্ত্রী মোছাঃ রাশিদা রাজার মোবাইল নাম্বারে ফোন দিলে সিএনজি চালক জয়নাল ফোনটি রিসিভ করে বলে যে, তার কাছে ভিকটিম রাজা মোবাইল ফোনটি রেখে কোথায় যেন চলে গেছে। ঐ দিন রাত্রিতে ভিকটিম রাজা প্রাং বাড়ীতে ফেরত না আসলে পরিবারের লোকজন রাজা প্রাং-কে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করিতে থাকে। খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে গত ইং ২০/০৭/২০২২ তারিখ সকাল অনুমান সকাল ০৯.০০ ঘটিকার সময় সাঁথিয়া থানাধীন সোনাকুড়া বরাট গ্রামের সরকারী ক্যানেলের কচুরি পানার মধ্যে ভিকটিম রাজার অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। বিষয়টি হত্যাকান্ড হিসেবে প্রাথমিক ভাবে ধারণা হওয়ায় ভিকটিম রাজার স্ত্রী মোছাঃ রাশিদা বাদী হয়ে সাঁথিয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন যার মামলা নং-২২, তাং-২১/০৭/২০২২ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তৎকালীন পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম স্যারের নির্দেশনায় ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ১। সিএনজি চালক জয়নাল (২৫) ২। মোঃ হৃদয় হোসেন (২০) এবং ৩। পিয়াস সরকার (২৩) দের গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আসামী গণ এই হত্যাকান্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করলে তাদের অত্র মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। পরবর্তীতে পাবনা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আকবর আলী মুনসী স্যারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে জনাব মোঃ মাসুদ আলম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ), জনাব কল্লোল কুমার দত্ত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, (বেড়া সার্কেল), জনাব আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই ইমতিয়াজ এর নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম ঢাকা,গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ এর শাহজাদপুর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে ১। মোঃ মামুন খান (২৩), পিতা-মোঃ দুলাল খান এবং ২। মোঃ আশিক ফকির (২৫), পিতা-মোঃ আনিছ ফকির , উভয় সাং-সোনাকুড়া বরাট,থানা-সাঁথিয়া, জেলা-পাবনাদ্বয়কে গ্রেফতার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ মামুন খান (২৩) বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। আসামী মোঃ মামুন খান (২৩) এর প্রদত্ত জবানবন্দিতে জানা যায় যে, ভিকটিম রাজা প্রাং মাদকের সাথে সম্পৃক্ত ছিল। মাদক খাওয়ার টাকা পয়সাকে কেন্দ্র করে আসামী হৃদয় এবং অনিকের সাথে ঝামেলা ছিল। অপর আসামী মামুন এবং জুয়েলের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে সাথিয়া থানায় মাদকদ্রব্য আইনে একটা মামলা হয়। এই মামলার সোর্স হিসেবে ভিকটিম রাজা ছিল বলে আসামীদের ধারণা। আর এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী রনির সাথে খাসের পুকুর ও জমির দখল নিয়ে বিরোধ ছিল। উক্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে কৌশলে ভিকটিম রাজা প্রাং-কে মোঃ জয়নাল এর সিএনজি যোগে মোঃ হৃদয় ও মোঃ অনিক কে দিয়ে ডেকে নিয়ে আসার পর মাদকদ্রব্য গঁাজা খাওয়ার কথা বলে সোনাকুড়া বরাট গ্রামের সরকারী ক্যানেলের ধারে পাটক্ষেতে নিয়ে যায় এবং রাত্রি অনুমান ১০.০০ ঘটিকা হতে ১১.০০ ঘটিকার মধ্যে আসামী মোঃ রনির নেতৃত্বে মোঃ হৃদয়, মোঃ জয়নাল, মোঃ অনিক, মোঃ জুয়েল, মোঃ মামুন, মোঃ আশিক, এনামুল হক ও মোঃ সোহেলগন মিলে ভিকটিম রাজাকে গলাটিপে হত্যা করে মৃতদেহ পার্শ্ববর্তী ক্যানেল-এ কচুরিপানার মধ্যে লুকিয়ে রাখে। আসামী মোঃ জয়নাল এর নিকট হতে ভিকটিম রাজা প্রাং এর ব্যাবহৃত মোবাইল ফোন ও সিএনজি গাড়ী উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা আছে

    সাঁথিয়ায় বিদ্যালয়ের সভাপতির বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগে মানববন্ধন 

    পাবিপ্রবিতে সমাজকর্ম বিভাগের সেমিনার অনুষ্ঠিত

                       

    জনপ্রিয় সংবাদ