• সারাদেশ

    শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা; পাবনায় শপিংমল গুলোতে উপচে পড়া ভিড় 

      প্রতিনিধি ৫ এপ্রিল ২০২৪ , ৮:৪৯:৪৩ প্রিন্ট সংস্করণ

    মো. মিজানুর রহমান কাজল স্টাফ রিপোর্টার:

     

    ঈদের দিন ঘনিয়ে আসছে। বিপণিবিতানে বাড়ছে ক্রেতাসমাগম। সাধারণত বেশির ভাগ মানুষ ঈদ সামনে রেখেই নতুন পোশাক কিনে থাকেন। পবিত্র ঈদুল ফিতরেই সারা দেশের ছোট-বড় বিপণিবিতান, হাটবাজারের দোকানপাটে জামা-জুতা, শাড়ি-চুড়ির মতো হরেক রকম পণ্যের সবচেয়ে বড় রকমের বেচাকেনা হয়। নানা বয়সের নানা পেশার মানুষ বিপণিবিতানগুলোয় কেনাকাটায় ভিড় জমান।

    ঈদের আর বাকি কয়েকদিন তাইতো ঈদকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে ঈদ কেনাকাটায় ব্যস্ত পাবনাবাসী। পাবনার বিভিন্ন শপিংমল গুলোতে ঘুরে দেখা মেলে এমন চিত্র। পাবনার বেড়া -সাঁথিয়া কাশিনাথপুরের গামেন্টস জুতার দোকান থেকে শুরু করে কসমেটিকস দোকানগুলোতে ভিড় পাওয়া যায় লক্ষনীয়ভাবে।

     

    তবে ক্রেতারা বলছে গত বছরের তুলনায় এ বছরে পোশাকের দাম একটু বেশি। দোকানদারা বলছেন আমাদের কেনা দাম থেকে কিছুটা বেশি নিয়ে পন্য বিক্রি করছি। কাশিনাথপুর মাই চয়েস টেইলাস এন্ড ফেব্রিকস এর প্রোপাইটর জয়নুল আবেদিন জানান প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও কেনাকাটা ভালো। তবে অন্য বছর গুলোতে রমজানের পুরো মাস কেনাবেচা হতো। তবে এবার কিছুটা ভিন্ন দেখা যাচ্ছে, ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে কেনা-বেচা ততটাই বাড়ছে।

     

    ঢালারচর থেকে ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছেন মারিয়া তার পছন্দ সহিত জামা ক্রয় করতে নিজে ভালোমন্দ দেখে ঈদ আনন্দে মাতোয়ারা হতে চান তিনি। তিনি জানান তার ঈদ কেনাকাটার বাজেট ৫ হাজার এর মধ্যে পছন্দ মতো পোশাক ক্রয় করববেন তিনি।

     

    জুতা বিক্রেতা আক্কাস আলী জানান এবার জুতার দাম কিছুটা বেশি তবে আশানুরূপ বিক্রি পাচ্ছি। ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই কেনাকাটা বাড়ছে।

    আরও খবর

    মাসুমদিয়া ভবানিপুর কিন্ডারগার্টেন স্কুলে ছাত্র ছাত্রীদের কুরআন শিক্ষা 

    ঠাকুরগাঁওয়ে মহানবী (সাঃ)’কে নিয়ে কটুক্তি করায় আটক -১

    প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ফল ২৪ নভেম্বরের মধ্যে

    ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত ছেলেকে বাঁচাতে মা-বাবার আকুতিপ্রেস রিলিজঃ সাথিয়ার আলোচিত রাজা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন। গত ইং ১৭/০৭/২০২২ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৭ ঘটিকার সময় ভিকটিম রাজা প্রাং (৫০), পিতা-মৃত সিরাজ প্রাং,সাং-শ্রীধরকুড়া, থানা-সাঁথিয়া, জেলা-পাবনা তার পূর্ব পরিচিত মোঃ অনিক হোসেন (১৮) ও হৃদয় হোসেনর (১৯) সাথে প্রতিবেশি জয়নালের (২৫) সিএনজি করে পিকনিক খাওয়ার কথা বলে বরাট, কাশিনাথপুরের দিকে যায়। যথাসময়ে ভিকটিম রাজা প্রাং বাড়ীতে না ফেরায় রাজার স্ত্রী মোছাঃ রাশিদা রাজার মোবাইল নাম্বারে ফোন দিলে সিএনজি চালক জয়নাল ফোনটি রিসিভ করে বলে যে, তার কাছে ভিকটিম রাজা মোবাইল ফোনটি রেখে কোথায় যেন চলে গেছে। ঐ দিন রাত্রিতে ভিকটিম রাজা প্রাং বাড়ীতে ফেরত না আসলে পরিবারের লোকজন রাজা প্রাং-কে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করিতে থাকে। খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে গত ইং ২০/০৭/২০২২ তারিখ সকাল অনুমান সকাল ০৯.০০ ঘটিকার সময় সাঁথিয়া থানাধীন সোনাকুড়া বরাট গ্রামের সরকারী ক্যানেলের কচুরি পানার মধ্যে ভিকটিম রাজার অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। বিষয়টি হত্যাকান্ড হিসেবে প্রাথমিক ভাবে ধারণা হওয়ায় ভিকটিম রাজার স্ত্রী মোছাঃ রাশিদা বাদী হয়ে সাঁথিয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন যার মামলা নং-২২, তাং-২১/০৭/২০২২ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তৎকালীন পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম স্যারের নির্দেশনায় ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ১। সিএনজি চালক জয়নাল (২৫) ২। মোঃ হৃদয় হোসেন (২০) এবং ৩। পিয়াস সরকার (২৩) দের গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আসামী গণ এই হত্যাকান্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করলে তাদের অত্র মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। পরবর্তীতে পাবনা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আকবর আলী মুনসী স্যারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে জনাব মোঃ মাসুদ আলম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ), জনাব কল্লোল কুমার দত্ত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, (বেড়া সার্কেল), জনাব আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই ইমতিয়াজ এর নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম ঢাকা,গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ এর শাহজাদপুর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে ১। মোঃ মামুন খান (২৩), পিতা-মোঃ দুলাল খান এবং ২। মোঃ আশিক ফকির (২৫), পিতা-মোঃ আনিছ ফকির , উভয় সাং-সোনাকুড়া বরাট,থানা-সাঁথিয়া, জেলা-পাবনাদ্বয়কে গ্রেফতার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ মামুন খান (২৩) বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। আসামী মোঃ মামুন খান (২৩) এর প্রদত্ত জবানবন্দিতে জানা যায় যে, ভিকটিম রাজা প্রাং মাদকের সাথে সম্পৃক্ত ছিল। মাদক খাওয়ার টাকা পয়সাকে কেন্দ্র করে আসামী হৃদয় এবং অনিকের সাথে ঝামেলা ছিল। অপর আসামী মামুন এবং জুয়েলের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে সাথিয়া থানায় মাদকদ্রব্য আইনে একটা মামলা হয়। এই মামলার সোর্স হিসেবে ভিকটিম রাজা ছিল বলে আসামীদের ধারণা। আর এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী রনির সাথে খাসের পুকুর ও জমির দখল নিয়ে বিরোধ ছিল। উক্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে কৌশলে ভিকটিম রাজা প্রাং-কে মোঃ জয়নাল এর সিএনজি যোগে মোঃ হৃদয় ও মোঃ অনিক কে দিয়ে ডেকে নিয়ে আসার পর মাদকদ্রব্য গঁাজা খাওয়ার কথা বলে সোনাকুড়া বরাট গ্রামের সরকারী ক্যানেলের ধারে পাটক্ষেতে নিয়ে যায় এবং রাত্রি অনুমান ১০.০০ ঘটিকা হতে ১১.০০ ঘটিকার মধ্যে আসামী মোঃ রনির নেতৃত্বে মোঃ হৃদয়, মোঃ জয়নাল, মোঃ অনিক, মোঃ জুয়েল, মোঃ মামুন, মোঃ আশিক, এনামুল হক ও মোঃ সোহেলগন মিলে ভিকটিম রাজাকে গলাটিপে হত্যা করে মৃতদেহ পার্শ্ববর্তী ক্যানেল-এ কচুরিপানার মধ্যে লুকিয়ে রাখে। আসামী মোঃ জয়নাল এর নিকট হতে ভিকটিম রাজা প্রাং এর ব্যাবহৃত মোবাইল ফোন ও সিএনজি গাড়ী উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা আছে

    বাসের ধাক্কা থেকে বাঁচলেও ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেলেন কাশিনাথপুর ও সুজানগরের দুইবন্ধুর

    জবিস্থ পাবনা জেলা ছাত্র কল্যান পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে হৃদয় হোসেন রানা 

                       

    জনপ্রিয় সংবাদ