• সারাদেশ

    গুইমারায় ১৫ লক্ষ টাকার ভারতীয় ঔষধ ও মাইক্রোবাসসহ আটক ২

      প্রতিনিধি ২ ডিসেম্বর ২০২৩ , ৮:৩২:২২ প্রিন্ট সংস্করণ

     

    মোঃমাসুদ রানা, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা থানায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে আনা ১৫ লক্ষ টাকা মূল্যের ভারতীয় ঔষুধ ও চোরাচালানের কাজে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস সহ ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    খাগড়াছড়ি জেলার পুলিশ সুপার মুক্তা ধর, পিপিএম (বার) যোগদানের পর থেকে জেলার অভ্যন্তরীণ আইন শৃংঙ্খলা পরিস্থিতি অক্ষুন্ন রাখতে মাদক, চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করেছেন। এই নীতি বাস্তবায়নে জেলা পুলিশের প্রতিটি ইউনিট সর্বোচ্চ কাজ করে যাচ্ছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় ২রা ডিসেম্বর ২০২৩ রাত সাড়ে ১২টায় খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা থানাধীন ২নং হাফছড়ি ইউপির জালিয়াপাড়া থেকে মানিকছড়ি সড়কের সিকদার মোড় নামক স্থানে যাত্রী ছাউনির সামনে হতে গুইমারা থানা পুলিশের একটি দল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চেক পোস্ট স্থাপন করে বিভিন্ন গাড়ী তল্লাশী কালে একটি সিলভার রং এর মাইক্রোবাস যাহার রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার চট্টমেট্রো-গ ১১-৮৪৩৮ তল্লাশী কালে ভারতীয় কোম্পানির ২০ প্রকার ৩৩ হাজার ৩ শত ৪৩ পিস ঔষধ সহ ২জনকে আটক করেছে। এরা হলেন, চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি থানার উত্তর রাঙ্গামাটিয়া পৌরসভার বাসিন্দা মোহাম্মদ সেলিম এর ছেলে মোহাম্মদ জাবেদ (২৪) এবং একই এলাকার মৃত কাজী মো জাহাঙ্গীর আলম এর ছেলে কাজী মোঃ ইব্রাহিম রিদয়ান (২২)।

    উল্লেখ্য যে, উদ্ধারকৃত ২০ প্রকারের ৩৩ হাজার ৩শত ৪৩ পিস ভারতীয় ঔষধের অনুমানিক মূল্য বাংলাদেশী টাকায় ১৫ লক্ষ টাকা। গ্রেফতারকৃত আসামীদের ব্যাপক পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, জব্দকৃত ঔষধগুলো তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল। তাদের নিকট জব্দকৃত ঔষধগুলোর বিষয়ে বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাইলে তারা কোন কাগজপত্র কিংবা কোন সদুত্তর প্রদান করতে পারেনি। জব্দকৃত বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় ঔষধ উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মুখে জব্দতালিকা মূলে জব্দ করা হয়েছে।

    গুইমারা থানা সূত্রে জানা যায়, তাদের একটি সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্র বিভিন্ন সময় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারতীয় সীমান্ত পথে অবৈধ ভাবে ভারতীয় ঔষধ সামগ্রী সহ বিভিন্ন পণ্য অবৈধভাবে বাংলাদেশে নিয়ে এসে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চড়া মূল্যে বিক্রি করে থাকে বলে স্বীকারক্তি প্রদান করে। বর্ণিত ঘটনার বিষয়ে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক অত্র থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীদেরকে যথাসময়ে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে।

    আরও খবর

    সুজানগরের উদয়পুরে মাদকদ্রব্য গাঁজা সহ একজন আটক

    ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত ছেলেকে বাঁচাতে মা-বাবার আকুতিপ্রেস রিলিজঃ সাথিয়ার আলোচিত রাজা হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন। গত ইং ১৭/০৭/২০২২ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ০৭ ঘটিকার সময় ভিকটিম রাজা প্রাং (৫০), পিতা-মৃত সিরাজ প্রাং,সাং-শ্রীধরকুড়া, থানা-সাঁথিয়া, জেলা-পাবনা তার পূর্ব পরিচিত মোঃ অনিক হোসেন (১৮) ও হৃদয় হোসেনর (১৯) সাথে প্রতিবেশি জয়নালের (২৫) সিএনজি করে পিকনিক খাওয়ার কথা বলে বরাট, কাশিনাথপুরের দিকে যায়। যথাসময়ে ভিকটিম রাজা প্রাং বাড়ীতে না ফেরায় রাজার স্ত্রী মোছাঃ রাশিদা রাজার মোবাইল নাম্বারে ফোন দিলে সিএনজি চালক জয়নাল ফোনটি রিসিভ করে বলে যে, তার কাছে ভিকটিম রাজা মোবাইল ফোনটি রেখে কোথায় যেন চলে গেছে। ঐ দিন রাত্রিতে ভিকটিম রাজা প্রাং বাড়ীতে ফেরত না আসলে পরিবারের লোকজন রাজা প্রাং-কে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করিতে থাকে। খোঁজাখুজির এক পর্যায়ে গত ইং ২০/০৭/২০২২ তারিখ সকাল অনুমান সকাল ০৯.০০ ঘটিকার সময় সাঁথিয়া থানাধীন সোনাকুড়া বরাট গ্রামের সরকারী ক্যানেলের কচুরি পানার মধ্যে ভিকটিম রাজার অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। বিষয়টি হত্যাকান্ড হিসেবে প্রাথমিক ভাবে ধারণা হওয়ায় ভিকটিম রাজার স্ত্রী মোছাঃ রাশিদা বাদী হয়ে সাঁথিয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন যার মামলা নং-২২, তাং-২১/০৭/২০২২ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তৎকালীন পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম স্যারের নির্দেশনায় ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ১। সিএনজি চালক জয়নাল (২৫) ২। মোঃ হৃদয় হোসেন (২০) এবং ৩। পিয়াস সরকার (২৩) দের গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক আসামী গণ এই হত্যাকান্ড সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করলে তাদের অত্র মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। পরবর্তীতে পাবনা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আকবর আলী মুনসী স্যারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে জনাব মোঃ মাসুদ আলম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ), জনাব কল্লোল কুমার দত্ত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, (বেড়া সার্কেল), জনাব আসিফ মোহাম্মদ সিদ্দিকুল ইসলাম, অফিসার ইনচার্জ এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই ইমতিয়াজ এর নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম ঢাকা,গাজীপুর ও সিরাজগঞ্জ এর শাহজাদপুর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে ১। মোঃ মামুন খান (২৩), পিতা-মোঃ দুলাল খান এবং ২। মোঃ আশিক ফকির (২৫), পিতা-মোঃ আনিছ ফকির , উভয় সাং-সোনাকুড়া বরাট,থানা-সাঁথিয়া, জেলা-পাবনাদ্বয়কে গ্রেফতার পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী মোঃ মামুন খান (২৩) বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। আসামী মোঃ মামুন খান (২৩) এর প্রদত্ত জবানবন্দিতে জানা যায় যে, ভিকটিম রাজা প্রাং মাদকের সাথে সম্পৃক্ত ছিল। মাদক খাওয়ার টাকা পয়সাকে কেন্দ্র করে আসামী হৃদয় এবং অনিকের সাথে ঝামেলা ছিল। অপর আসামী মামুন এবং জুয়েলের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালে সাথিয়া থানায় মাদকদ্রব্য আইনে একটা মামলা হয়। এই মামলার সোর্স হিসেবে ভিকটিম রাজা ছিল বলে আসামীদের ধারণা। আর এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী রনির সাথে খাসের পুকুর ও জমির দখল নিয়ে বিরোধ ছিল। উক্ত বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জের ধরে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে কৌশলে ভিকটিম রাজা প্রাং-কে মোঃ জয়নাল এর সিএনজি যোগে মোঃ হৃদয় ও মোঃ অনিক কে দিয়ে ডেকে নিয়ে আসার পর মাদকদ্রব্য গঁাজা খাওয়ার কথা বলে সোনাকুড়া বরাট গ্রামের সরকারী ক্যানেলের ধারে পাটক্ষেতে নিয়ে যায় এবং রাত্রি অনুমান ১০.০০ ঘটিকা হতে ১১.০০ ঘটিকার মধ্যে আসামী মোঃ রনির নেতৃত্বে মোঃ হৃদয়, মোঃ জয়নাল, মোঃ অনিক, মোঃ জুয়েল, মোঃ মামুন, মোঃ আশিক, এনামুল হক ও মোঃ সোহেলগন মিলে ভিকটিম রাজাকে গলাটিপে হত্যা করে মৃতদেহ পার্শ্ববর্তী ক্যানেল-এ কচুরিপানার মধ্যে লুকিয়ে রাখে। আসামী মোঃ জয়নাল এর নিকট হতে ভিকটিম রাজা প্রাং এর ব্যাবহৃত মোবাইল ফোন ও সিএনজি গাড়ী উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা আছে

    বেড়ায় পল্লী চিকিৎসকের বাড়ি এখন হাসপাতাল

    সিন্দুকছড়ি জোন সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ 

    সাঁথিয়ায় অবৈধ চায়না দোয়ারী জাল কারখানায় অভিযানে এক জনেকে ১০ হাজার টাকা ও ৭ দিনের জেল 

    সুজানগরের বোনকোলায় মাদকদ্রব্য হেরোইন সহ একজন আটক

                       

    জনপ্রিয় সংবাদ